Swapno Fisheries
& Agro Ltd.
0
গলদা চিংড়ি চাষ পদ্ধতির মূল ধাপসমূহ:
পুকুর/ঘের নির্বাচন ও প্রস্তুতি:
পানি ধরে রাখার ক্ষমতা সম্পন্ন, বন্যার পানি থেকে মুক্ত এবং দোআঁশ/বেলে-দোআঁশ মাটির পুকুর
উত্তম। পুকুর শুকিয়ে শতাংশ প্রতি ১-২ কেজি চুন প্রয়োগ করতে হয়।
পোনা মজুদ:
নার্সারি থেকে সুস্থ, সবল ও একই আকারের পিএল (পোস্ট লার্ভা) ১৫-২০ দিন নার্সারি পুকুরে লালন
করে পরে মূল পুকুরে ছাড়লে মৃত্যুহার কমে।
খাদ্য ব্যবস্থাপনা:
গলদা চিংড়ির দ্রুত বৃদ্ধির জন্য উচ্চ প্রোটিন সমৃদ্ধ (৩০-৪০%) ফর্মুলেটেড ফিড বা সম্পূরক খাদ্য
ব্যবহার করতে হয়।
পানি ও পরিবেশ ব্যবস্থাপনা:
নিয়মিত পানি বদল, চুন ও জৈব/অজৈব সার (ইউরিয়া ও টিএসপি) প্রয়োগ করে পানিতে প্রাকৃতিক
খাদ্য (প্লাঙ্কটন) বজায় রাখতে হয়। পানির তাপমাত্রা এবং pH ৭.৫-৮.৫ এর মধ্যে থাকা ভালো।
মিশ্র চাষ:
রুই, কাতলা, মৃগেল ইত্যাদি মাছের সাথেও গলদা চিংড়ির মিশ্র চাষ করা যায়।
রোগ প্রতিরোধ:
নিয়মিত পোনা ও পানির গুণমান পরীক্ষা করে রোগ প্রতিরোধ করা যায়।
সতর্কতা:
পুকুরের আইল উঁচু রাখতে হবে যাতে বন্যার পানি না ঢোকে। নিবিড় পরিচর্যা ও নিয়মিত পানি
পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
গলদা চিংড়ি চাষের জন্য দোআঁশ বা বেলে-দোআঁশ মাটির ১-১.৫ মিটার গভীর পুকুর প্রস্তুত করে
পিএল (পোস্ট লার্ভা) মজুদ করতে হয়। চুন ও সার প্রয়োগের পর প্রাকৃতিক খাদ্য তৈরি করে,
শতাংশ প্রতি ১৫-২৫ টি সুস্থ পোনা ছাড়া উত্তম। সঠিক সময়ে (দিনের ভোরে বা সন্ধ্যায়) উচ্চ
প্রোটিনযুক্ত (৩০-৪০%) ফিড নিয়মিত প্রয়োগ এবং নিয়মিত পানি বদল বা নাড়াচাড়া করলে
৬-৮ মাসে ভালো ১৫-২০ টাই কেজিতে ফলন পাওয়া সম্ভব।