১. সঠিক পজিশনিং ও সেটআপ
পুকুরের অবস্থান: এটি সাধারণত পুকুরের একপাশে পাড় থেকে অন্তত ৫-১০ ফুট দূরে স্থাপন করা হয় যাতে এটি পুরো পুকুরে পানির একটি ঘূর্ণন বা 'সার্কুলেশন' তৈরি করতে পারে।
সঠিকভাবে ভাসানো: এর ফ্লোট বা প্লাস্টিকের নৌকাগুলো যেন পানির লেভেলের সাথে সমান থাকে। পাখাগুলো পানির ভেতরে ২-৩ ইঞ্চির বেশি ডুবানো উচিত নয়; খুব বেশি ডুবে থাকলে মোটরের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে।
বাঁধাই: এটি শক্ত নাইলন রশি দিয়ে চারকোণা থেকে পুকুরের পাড়ের খুঁটির সাথে বেঁধে দিন। খেয়াল রাখবেন রশি যেন টানটান থাকে, নাহলে ডাবল স্পিডের ধাক্কায় এয়ারেটর ঘুরে যেতে পারে।
২. বৈদ্যুতিক সংযোগ
মানসম্মত তার: ডাবল স্পিড মোটরের জন্য অবশ্যই ভালো মানের ৩-কোর বা ২-কোর কপার ক্যাবল ব্যবহার করবেন। তারের জয়েন্টগুলো ওয়াটারপ্রুফ টেপ দিয়ে আটকে দিন।
স্টার্টার বা সার্কিট ব্রেকার: সরাসরি সুইচ দিয়ে না চালিয়ে একটি ভালো মানের সার্কিট ব্রেকার বা স্টার্টার ব্যবহার করা নিরাপদ। এতে ভোল্টেজ ফ্লাকচুয়েট করলে মোটর পুড়ে যাওয়া থেকে বাঁচবে।
৩. সময় নির্ধারণ (অপারেশন টাইম)
জরুরি সময়: রাত ১২টার পর থেকে সূর্য ওঠার আগ পর্যন্ত এটি চালানো সবচেয়ে বেশি জরুরি।
খাবার দেওয়ার পর: মাছকে খাবার দেওয়ার ১ ঘণ্টা পর ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা চালালে অক্সিজেনের সাহায্যে খাবার দ্রুত হজম হয়।
বিকেলের রোদ: খুব কড়া রোদে দুপুরে ১ ঘণ্টা চালালে ওপরের স্তরের অক্সিজেন নিচের স্তরে পৌঁছায়।
৪. রক্ষণাবেক্ষণ (Maintenance)
গিয়ার অয়েল: ডাবল স্পিড এয়ারেটরের জন্য গিয়ার অয়েল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নতুন অবস্থায় প্রথম ১ মাস ব্যবহারের পর অয়েল বদলে ফেলুন, এরপর প্রতি ৩-৪ মাস পর পর পরিবর্তন করুন।
পাখা বা ইম্পেলার: নিয়মিত চেক করুন পাখার সাথে কোনো নেট বা শ্যাওলা আটকে আছে কি না। যেহেতু এটি দ্রুত ঘোরে, সামান্য কিছু আটকে থাকলেও মোটরের কয়েল গরম হয়ে যেতে পারে।
লবণাক্ততা ও মরিচা: যদি আপনার পুকুরের পানিতে লবণাক্ততা থাকে, তবে লোহার অংশগুলোতে নিয়মিত গ্রিজ বা মরিচানিরোধক রং ব্যবহার করুন।
১. সঠিক পজিশনিং ও সেটআপ
পুকুরের অবস্থান: এটি সাধারণত পুকুরের একপাশে পাড় থেকে অন্তত ৫-১০ ফুট দূরে স্থাপন করা
হয় যাতে এটি পুরো পুকুরে পানির একটি ঘূর্ণন বা 'সার্কুলেশন' তৈরি করতে পারে।
সঠিকভাবে ভাসানো: এর ফ্লোট বা প্লাস্টিকের নৌকাগুলো যেন পানির লেভেলের সাথে সমান থাকে।
পাখাগুলো পানির ভেতরে ২-৩ ইঞ্চির বেশি ডুবানো উচিত নয়; খুব বেশি ডুবে থাকলে
মোটরের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে।
বাঁধাই: এটি শক্ত নাইলন রশি দিয়ে চারকোণা থেকে পুকুরের পাড়ের খুঁটির সাথে বেঁধে দিন। খেয়াল
রাখবেন রশি যেন টানটান থাকে, নাহলে ডাবল স্পিডের ধাক্কায় এয়ারেটর ঘুরে যেতে পারে।
২. বৈদ্যুতিক সংযোগ
মানসম্মত তার: ডাবল স্পিড মোটরের জন্য অবশ্যই ভালো মানের ৩-কোর বা ২-কোর কপার ক্যাবল
ব্যবহার করবেন। তারের জয়েন্টগুলো ওয়াটারপ্রুফ টেপ দিয়ে আটকে দিন।
স্টার্টার বা সার্কিট ব্রেকার: সরাসরি সুইচ দিয়ে না চালিয়ে একটি ভালো মানের সার্কিট ব্রেকার বা
স্টার্টার ব্যবহার করা নিরাপদ। এতে ভোল্টেজ ফ্লাকচুয়েট করলে মোটর পুড়ে যাওয়া থেকে বাঁচবে।
৩. সময় নির্ধারণ (অপারেশন টাইম)
জরুরি সময়: রাত ১২টার পর থেকে সূর্য ওঠার আগ পর্যন্ত এটি চালানো সবচেয়ে বেশি জরুরি।
খাবার দেওয়ার পর: মাছকে খাবার দেওয়ার ১ ঘণ্টা পর ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা চালালে
অক্সিজেনের সাহায্যে খাবার দ্রুত হজম হয়।
বিকেলের রোদ: খুব কড়া রোদে দুপুরে ১ ঘণ্টা চালালে ওপরের স্তরের অক্সিজেন নিচের স্তরে পৌঁছায়।
৪. রক্ষণাবেক্ষণ (Maintenance)
গিয়ার অয়েল: ডাবল স্পিড এয়ারেটরের জন্য গিয়ার অয়েল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নতুন অবস্থায়
প্রথম ১ মাস ব্যবহারের পর অয়েল বদলে ফেলুন, এরপর প্রতি ৩-৪ মাস পর পর পরিবর্তন করুন।
পাখা বা ইম্পেলার: নিয়মিত চেক করুন পাখার সাথে কোনো নেট বা শ্যাওলা আটকে আছে কি না।
যেহেতু এটি দ্রুত ঘোরে, সামান্য কিছু আটকে থাকলেও মোটরের কয়েল গরম হয়ে যেতে পারে।
লবণাক্ততা ও মরিচা: যদি আপনার পুকুরের পানিতে লবণাক্ততা থাকে, তবে লোহার অংশগুলোতে
নিয়মিত গ্রিজ বা মরিচানিরোধক রং ব্যবহার করুন।
ডাবল স্পিড এয়ারেটর (Double Speed Aerator) হলো আধুনিক মাছ চাষের একটি উন্নত প্রযুক্তির
যন্ত্র, যা মূলত প্যাডেল হুইল এয়ারেটরের একটি আপগ্রেডেড ভার্সন। সাধারণ এয়ারেটরের তুলনায়
এটি অনেক বেশি শক্তিশালী এবং কার্যকরী।
নিচে ডাবল স্পিড এয়ারেটরের বৈশিষ্ট্য এবং এটি ব্যবহারের সুবিধাগুলো তুলে ধরা হলো:
ডাবল স্পিড এয়ারেটরের মূল বৈশিষ্ট্য
১. দ্বিগুণ গতির পাখা: এতে এমনভাবে গিয়ারবক্স সেট করা থাকে যা পাখাকে সাধারণ এয়ারেটরের
চেয়ে অনেক বেশি দ্রুত ঘুরাতে পারে। ফলে অল্প সময়ে পানিতে অক্সিজেনের মাত্রা দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
২. উন্নত মোটর ডিজাইন: এর মোটরগুলো সাধারণত কপার ওয়াইন্ডিংয়ের হয় এবং উচ্চ ভোল্টেজ
সহ্য করার ক্ষমতা রাখে। ৩. বেশি ঢেউ সৃষ্টি: পাখাগুলো দ্রুত ঘোরার কারণে পুকুরে পানির তীব্র ঢেউ
এবং স্রোত তৈরি হয়, যা অক্সিজেনকে পুকুরের গভীর পর্যন্ত পৌঁছে দেয়।
এর প্রধান সুবিধাগুলো
অক্সিজেনের ঘাটতি দ্রুত পূরণ: হঠাৎ করে পুকুরে অক্সিজেনের অভাব দেখা দিলে
(যেমন: ভোরে বা মেঘলা দিনে) এই এয়ারেটরটি জাদুর মতো কাজ করে।
বড় পুকুরের জন্য উপযোগী: এটি অনেক দূর পর্যন্ত পানির স্রোত নিয়ে যেতে পারে, তাই বড়
আয়তনের পুকুরে কম সংখ্যক এয়ারেটর দিয়ে কাজ চালানো যায়।
অ্যামোনিয়া দূরীকরণ: এর তীব্র গতির কারণে পানির স্তরের নিচের বিষাক্ত গ্যাসগুলো খুব
সহজে বের হয়ে যায়।
স্থায়িত্ব: সাধারণত ডাবল স্পিড এয়ারেটরগুলো দীর্ঘ সময় একটানা চলার উপযোগী
করে তৈরি করা হয়।
ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু টিপস
গিয়ার অয়েল চেক: যেহেতু এটি ডাবল স্পিডে চলে, তাই এর গিয়ারবক্সে পর্যাপ্ত অয়েল আছে কি
না তা নিয়মিত চেক করা উচিত।
সঠিক তার ব্যবহার: উচ্চ গতির মোটর হওয়ার কারণে এতে ভালো মানের এবং সঠিক থিকনেসের
বৈদ্যুতিক তার ব্যবহার করা জরুরি।
Swapno Fisheries
& Agro Ltd.
0